তাছাউফের জন্যে ‘কাশ্ফ’ (আল্লাহ পক্ষ থেকে প্রাপ্ত ইঙ্গিত সত্য) ও ‘কারামত’ অলৌকিতা শর্ত নয়। জাগতিক কাজ-কারবারে উন্নতি দেওয়াকেও তাছাউফ বলা হয় না। তাবিয গন্ডা ও ঝাড়ফুঁকের মাধ্যমে রোগ নিরাময়ের নামও তাছাউফ নয়। মামলা মোকাদ্দমা জেতাও তাছাউফ নয়। কবরে সেজদা করা, চাদর চড়ানো ও বাতি জ্বালানোর নামও তাছাউফ নয়। ভবিষ্যৎ ঘটনাবলীর খবর দেওয়া, আল্লাহর ওলীগণকে অদৃশ্যে ডাকা এবং তাদেরকে ত্রাণকর্তা মনে করার নামও তাছাউফ নয়। পীরের এক তাওয়াজ্জুহ্ দ্বারা মুরিদের পুরোপুরি সংশোধন হয়ে যাবে এবং সাধনা ও সুন্নত অনুসরণ ছাড়াই মুলূক অর্জিত হয়ে যাবে- এ ব্যাপারেও তাছাউফকে কোন ঠিকাদারী দেয়া হয়নি। এতে কাশ্ফ ও ইলহাম সঠিক হওয়া অপরিহার্য নয়। মূর্ছা যাওয়া, নর্তন কুর্দন করা এবং সুর সংযোজন- করার নাম ও তাছাউফ নয়। অথচ বর্তমানে সমাজের কোন কোন ক্ষেত্রে এসব বিষয়কে তাছাউফের অপরিহার্য অঙ্গ বরং হুবহু তাছাউফ মনে করা হয়। মূলত ঃ এগুলোর একটিও ইসলামী তাছাউফের অন্তর্ভুক্ত নয়। বরং এসব আবল তাবল ও অশ্লীল ক্রিয়াকর্ম ইসলামী তাছাউফের সম্পূর্ণ বিপরীত।
দালায়েলুস সুলূক, ১০।তাছাউফ কি নয়
byShofiul Hassan Owaisi
-
0
إرسال تعليق